যে রোগসমূহের কারণে চুল পড়ে যেতে পারে

সারা বছর ধরেই চুল পড়ার সমস্যায় অনেকেই পড়ে থাকেন। সাধারণত অত্যধিক মানসিক চাপ, অস্বাস্থ্যকর খাওয়ার অভ্যাস, রাসায়নিকের ব্যবহার ও  পরিবেশ দূষণের  ফলেও এই সমস্যাটি হয়ে থাকে বা  মাথায় টাক পড়তে শুরু করে। তবে কেবল যত্নের অভাবই নয়, চুল পড়া অনেক ক্ষেত্রেই জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার ইঙ্গিত দেয়। জেনে নিন রোগগুলো  যা শরীরে বাসা বাঁধলে অত্যধিক হারে চুল পড়তে শুরু করে।
পিসিওডি: অনেক মহিলাই পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোমের (পিসিওএস) সমস্যায় ভোগেন। এই অসুখে আক্রান্ত হলে শরীরে হরমোনের ভারসাম্য বিঘ্নিত হয়। পিসিওএস থাকলে অত্যধিক চুল পড়া এবং চুল রুক্ষ, শুষ্ক, নিষ্প্রাণ হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যাগুলো দেখা দেয়।
থাইরয়েড: থাইরয়েডের সমস্যায় চুল পড়ার পরিমাণ বেড়ে যায়। থাইরয়েড হরমোন আয়রন, ক্যালশিয়ামের মতো খনিজ শোষণ করে। এই খনিজগুলো চুলের বৃদ্ধির জন্য উপকারী। হাইপোথাইরয়েডিজম এবং হাইপারথাইরয়েডিজম- উভয় রোগের ক্ষেত্রেই রোগীর চুল ঝরতে শুরু করে।
অ্যালোপেসিয়া: যখন শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা চুলের ফলিকলগুলোকে আক্রমণ করে, তাকে বলা হয় অ্যালোপেসিয়া অ্যারেটা। মাথার তালু এবং মুখে এই রোগের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ে। এ রোগে আক্রান্ত হলে মাথার তালুতে গোল গোল চাকতির মতো টাক দেখা দেয়। এমনকি, ভুরুর লোমও ঝরতে শুরু করে।
এগজিমা এবং পোরিওসিস: প্রদাহজনিত এই দুই রোগের কারণে চুলকানি, র‌্যাশ হতে পারে। লাল ছোপ সারা মুখে ছড়িয়ে পড়ে। শুধু তা-ই নয়, এই দুই রোগের কারণেও চুলের ঘনত্বও কমে যেতে পারে।
মানসিক চাপ: খুব বেশি মানসিক চাপ থাকলে তার প্রভাব কেবল শরীরেই নয়, চুলেও পড়ে। চুল পড়ার অন্যতম বড় কারণ হলো উদ্বেগ ও মানসিক চাপ।
 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *